আমার প্রিয়
ফুচকাপ্রেমী বন্ধুগণ,
.
আজ আমি একটা চিঠি লিখতে বসেছি।আমার একটি দাবি রয়েছে,যা আমি চিঠির মাধ্যমে তুলে ধরতে চাই।বিকেল হলেই আমার ফুচকার কথা মনে পড়ে যায়।রাস্তার ধারে ঐযে ফুচকাওয়ালার দোকান,ওহ্,কী বলব!আশপাশ দিয়ে যাওয়া যায়না।
.
টক ঝাল নোনতা-কীযে মনোহর গন্ধ বেরোয়,কিছু আর বলার নেই।আহা,বলতে বলতেই জিভে জল এসে গেল।আর ফুচকা চাইতেই হাতে শালপাতার ছোট্ট বাটি,কীযে মিষ্টি দেখতে!যাই হোক,ফুচকা বের করে মচ্ করে মাঝখানটা ভেঙে তাতে পাত্রে রাখা আলুসেদ্ধ মাখা,সঙ্গে পেঁয়াজ কুঁচো,লঙ্কা কুঁচো,লবণ,কী যেন টেস্টি টেস্টি মশলা দেওয়া মিশ্রণ টা গপাৎ করে ঢুকিয়ে দেয়।
.
তারপরেতেই তো আসল মজা।তেঁতুল জল-অমৃতসম ঐ লিকুইড-তাতে ভরে দিল।তাতেও আমার শান্তি নেই,কখনো কখনো তেঁতুলের ভয়াবহ টেস্টি চাটনি টাও নিয়ে নিই।আর তারপরে--------?মুখে ঢুকিয়ে দিই সোজা ।এক কামড়েই জগতের সমস্ত খাদ্যকে পিছনে ফেলে এক নম্বরে আমার ফু-চ্-কা।
.
একটার পর একটা,একটার পর একটা,ক্রমাগত ফুচকাওয়ালার হাত থেকে সোজা মুখে চালান হতে থাকে ফুচকার দল।
.
আমি ভাবি জগতে এত মারামারি রক্তারক্তি,শুধুমাত্র ধনসম্পত্তির জন্য কেন?পরম আনন্দ তো এই ফুচকাতেই।জগতে সব কিছু তুচ্ছ এই পরম সুস্বাদু খাদ্যটির কাছে।
.
তবে আমরা কেন একে 'জাতীয় লোভনীয় খাদ্য ' বলে স্বীকৃতি দিচ্ছিনা?ভাবুন এখনো সময় আছে।ইচ্ছে হলে এই চিঠি পড়ে মতামত দিন আর আমার ফুচকা কে 'জাতীয় লোভনীয় খাদ্য' স্বীকৃতি দিয়ে তার প্রাপ্য সম্মান দিন।
.
.
ইতি,
আপনাদের
শর্মিষ্ঠা গুহ রায়(মজুমদার)।
ইতি,
আপনাদের
শর্মিষ্ঠা গুহ রায়(মজুমদার)।
শিলিগুড়ি
.
0 Comments