কাব্যানুগল্প // আগুনের রং কী // সঞ্জীব সেন

আগুনের রং কী জানিনি কখনো


তুবু দূর থেকে উপভোগ করি


 

তুমি গেছ চমকে কখনো আনমনা


ধরা দেবনা, বুঝতে দেবেনা  বলে


 

আপাপবালকেরা আগুন ধরিয়েছিল


সে আগুনের রং ছিল না কোন


 

প্রাণভয়ে নাহলে প্রাণের তাগিদে


বন থেকে এসেছিল হরিণশাবক


 

হরিণসাবকের রং ছিল খয়েরি


পিকনিক করেছিল, তবুও আপাপবালক


 

আমি হাসি মনে মনে


তুমি কি আমার মনের হদিস বোঝ,


 

তখন শীতের হাওয়া শিরীষ গাছে


আমি অতিথি তোমার রাঙামাটিঘরে


 

এ আতিথ্য তোমার কৃপায়


অচেনা অজানা একজনকে


যেখানে দ্বিততীয় পুরুষ ঘরে নেই


 

তোমার পুরুষটি পরিযায়ী শ্রমিক


গেছে সিমান্তে তারকাঁটার কাজে


 

যে যুবক যৌনতা ছোঁয়নি


সেওকি তবে অপাপযুবক জানিনি ।


 

আমিও এসেছিলাম একরাত্রে


প্রানের আকুতি নিয়ে


তুমি ছিলে  লক্ষীমন্তি মেয়ে ।


 

আঘাত ছিল সারাদেহে


হাতে লেগেছিল গুলি


সার্জারি ছিল খুব প্রয়োজন


 

তিনদিন পর একটু সুস্থ হয়েছি


যে ছিল যৌবনা খুব কাছে এসে


করেছিল সেবা জেগছিল অনেকরাত


 

বলেছিল,আপনার বইটা পড়েছি আমি


হেসে বলল গাছেরা কি সত্যিই ছোঁয়া বুঝতে পারে!


 

আপনার কোন গাছবন্ধু নেই,,,


চমকে ছিলাম,তারপর,,বলেছিলাম


কেন নেই, আছে একজন


গাছ বললেই গাছ ,মাছ বললে মাছ ,


 

তারপর বললাম, কালরাতে জেগেছিলে বুঝি


গরম ছিল দেখলাম, কি ভবছিলে


আমায় লুকিয়ে রেখেছো


যদি ধরা পরে যাও


 

আর মনে অন্যমনে ভেবিছি, কাল রাতে জেগে দেখেছি


তোমার কপালে ঘাম, গায়ের চাদর পাশে পরে ,মুঠো ভর্তী বুক তাতে ওঠানামা, ঠোটের নিচে তিল


 

দুদিন আছি আর তারপর চলে যাব


 

সেকথা বলতে তোমার চোখ জলে ভার


কেন কোন অধিকারে এই চোখের জলের এই দান


 

সে রাত ছিল শেষ রাত


আকাশ ছিল অসমেয়ের ঝড়বাদল আশ্বীনের


কদিন বাদে পূজো, আবাহন মায়ের


ঘরের ভিতর এক দেবী হাটু মুরে,দেওয়ালে মোমবাতির কাপন , শরীরেও!আজ আহোরাত্র জাগি যদি আমি আর আপনি, কালতো চলে যাবেন !


 

জানেন,আমার মিনসেটা রড় বরতমিস


মারত্বক ক্ষিদে, মন বোঝে না


 

আপনি পারবেন


আমাকে এক অনন্য স্বাদ দিতে জীবনের


আপনি বললেন।গাছ বললেই গাছ


মাছ বললেই মাছ


আমি মাছ হব স্ব ইচ্ছায়


আপনি পুরুষ।হন, ভুলে যান, ভাবুন গতজন্ম থেকে চেনা


 

আমি পোশাক উন্মুক্ত করে, আপনার সামনে,,,


আপনি কি ভিবে দেখবেন।বলুন


 

যৌনতা ছোয়নি যে


সে তো অপাপযুবক   ।

Post a Comment

0 Comments