রোজনামচা. ১, // অপূর্ব শীট

 

জানি না ব্যর্থতার গানগুলো কবে গাইতে হবে না আর|


বসন্তের পলাশের লালে রক্তিম ভালোবাসায় জন্ম-জন্মান্তর তোমার বুকের ভেতর ডুব |


যেভাবে ডুবে আছি ভারাক্রান্ত হৃদয়,ছল-ছলাৎ ঢেউএর শব্দ,সমুদ্র তো বুকের ভেতর সেদিনও ছিলো |ভোরের সূর্যোদয় তোমার নিজস্ব |


তোমার বুকে সূর্যাস্ত হোক তাতো আমি চাইনি তাই দু হাত দিয়ে আড়াল করেছি মুখ |তুমি চেয়ে দেখেছো প্রথম বুঝি |


কবে আমার প্রথম আসা হলো,পৃথিবী বুঝি এরকম নির্দয় ছিলো যেমন আমরা পৃথিবীকে নিষ্ঠুর করে তুলেছি,জন্মের সময় আকাশ জুড়ে


ভালোবাসা ছিলো কি ,কিভাবে তোমাকে প্রথম দেখলাম হে পৃথিবী কিছুই মনে নেই আমার ছোটো দুটি চোখ অপার বিস্ময়ে খুঁজেছে কার মুখ ,আমি আজ বুঝি সে তো ভালোবাসার,


সে তো দুঃখেরও|


১৬,৩,২০১৯


একটা বিশাল হাঁ ,তার ভেতর ঢুকে পড়ছি|


পথ চলা শুধু পথ চলা |পথ বুঝি চলা যায় কোনো গোপন ইশারায়,কোন জটিলতায় প্রশ্নচিহ্নগুলো আলোক স্তম্ভের মতো পথ মধ্যে দাড়িয়ে আমাকে দ্যাখে,অতীতকে ঠেলে ঠেলে এ কোন বাস্তবের মায়াজালে জড়িয়ে যাচ্ছি,মগজের ভেতর পথশিশুরা হাঁটে কেন,বিরক্ত বিকেল বেলা চায়ের চুমুকে কার ছবি কেন ভাসে ,যাকে ভাসিয়ে এসেছি শৈশবে,বেনোজলে,লাইনের ওপারে ,অপার বিস্ময়ের ছোটবেলা চুপচাপ দাড়িয়ে ভাবে মগজের ভেতর |


বয়সের ভার নুতন করে জন্ম নিচ্ছে আলো আঁধার,সরিসৃপের মতো প্রতিটি শীতের পর খুলে ফেলছি খোলস,প্রতিটি মৃত্যুর পর কান্নার শব্দ শুনতে পাই,প্রতিটি জন্মশিশুর মতো জন্মলগ্নে কেঁদেছি আমি,জন্মতো আমাদের একবার মাত্র হয়,প্রতিটি সূর্যাস্তের পর মরে গেছি আমি ,


মৃত্যুর পাহাড়ের চূড়োয় বসে বসে তারাদের গল্প শুনি কত তারা মরে গ্যাছে ওদের আলোকচ্ছটা এখনো পৃথিবীতে এসে পৌঁছয়নি,সেভাবে কতশত আমি জন্মলগ্ন থেকে কান্নায় বাতাস ভরিয়েছি মানুষ শোনেনি,


বিষ বিষাক্ত বাতাসে কতদূর যাওয়া যাবে বলো


শিকড়ে শিকড়ে পৌঁছয়নি জল  আজ অব্দি |

Post a Comment

0 Comments