"সকাল টা আজ বড়ই মেঘলা প্রবীর, দেখ আকাশের দিকে চেয়ে, হালকা বাতাস চুল গুলো কেমন আমার উড়িয়ে দিচ্ছে! তোর হিংসে হচ্ছে না বুঝি?"
জানালার দিকে তাকিয়ে প্রবীর নিস্তব্ধ। কি যেন চিন্তায় পুরো শুন্য আর কানে আসছে মাঝে মাঝে পুরোনো কিছু স্মৃতি।
এর মধ্যেই ছিটেফোটা বৃষ্টি প্রবীররের চোখে লাগলো। নিমেষে দুই জল এক হয়ে সব অনুভূতি যেনো বিষণ্ণ হয়ে ঝড়ে পড়লো।
তারপর একটু এদিক ওদিক চেয়ে থাকা, দীর্ঘ নিশ্বাসে নিজের অবসাদ হেরে যাওয়া গুলো কে একটু ঝালিয়ে নেওয়া।
প্রবীর সকালের অনেকটা সময় কি যেনো ভেবে শুন্য থেকেই রোজ শুরু করে, এরকম কিছুটা সময় বিষণ্ণ থেকে। তারপর আবার একটা মুখোশ সবসময়ই হাসি খুশি সব সমস্যার সমাধানের রং লাগিয়ে বেরিয়ে পড়ে আবার অন্য একটা সকালের অপেক্ষায়।
প্রবীর বেঁচে আছে, সবার চোখেই প্রবীর ভালো আছে
কিন্তু প্রবীরের এই সকাল এই বিষণ্ণ বিভিষিকা এই পুরনো স্মৃতি টুকরো টুকরো রোজ মনে পড়া সেখান থেকে মুখোশ পরে বেরিয়ে আসা এই মাঝের অবস্থানটার খবর কেউ কি আর রাখে? সে যে এই অবস্থার জন্য দায়ি সেইও আজ নিজের জীবনে অতি সক্রিয় সেও ভুলে গিয়েছে। সেও জানেনা কোন অস্তিত্ব সে শেষ করেছে। শুধু জীবন চলছে শুধু ভিতরের খবর লুকিয়ে লুকিয়ে।।
এরকম আশে পাশে হাজার প্রবীর ঘুরে বেড়ায় নিজেদের মুখোশ যন্ত্র ব্যবহার করে। সত্যিই প্রবীর বেঁচে আছে।

0 Comments